

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ইয়াবাসহ এক যুবককে আটকের পর তাকে ছিনিয়ে নিতে গেলে স্বজনদের সঙ্গে স্থানীয়দের হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চর হাজারী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আটক মো. পিয়াস (৩৫) চর হাজারী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আবুল হাশেমের ছেলে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাতে এলাকার চিহ্নিত মাদককারবারি পিয়াস ও রাজু নামে দুই যুবকের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে ধাওয়া করে। এ সময় রাজু পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পিয়াসকে আটক করে এলাকার লোকজন। নোয়াখালীতে আটক মাদক কারবারিকে ছাড়িয়ে নিতে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবিরের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি পরে স্থানীয় রহমতের দোকানে তার দেহ তল্লাশি করে ৫২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে উপস্থিত এলাকাবাসী। এ সময় পিয়াসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার সহযোগীদের নাম বের করার চেষ্টা করে এলাকার লোকজন। এদিকে পিয়াসকে আটকের খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা এসে অতর্কিতে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম কালবেলাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিয়াসকে তাদের হেফাজতে নেন। এ সময় তার কাছ থেকে ৫২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ইতোপূর্বের একটি মামলা রয়েছে। এছাড়া পালিয়ে যাওয়ার রাজুর বিরুদ্ধে একই থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই রাতে এসআই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে পিয়াসের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। এরপর আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।’